Friday, September 25, 2020

প্রসপেক্টাস (ফেসবুক পোস্ট ভার্সন)


প্রসপেক্টাস— ২০২০ (২০২০-২১ সেশন)

এইবার যারা এইচএসসি পরীক্ষা দিবে তারা এই বন্ধের মধ্যে এইচএসসি'র পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতিও নিয়ে নাও; কারণ এবার আর এইচএসসি পরীক্ষার পর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির জন্য পূর্বের মতো সময় পাবে না। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ামাত্র ভার্সিটিগুলো ভর্তি পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ শুরু করবে।

এই সময়ে যারা বাড়িতে নিজে নিজে পড়াশুনা করে প্রস্তুতি নিতে চাও তারা সংগ্রহ করো "DU Kha প্রিপারেশন হ্যাকস" বইটি। ঢাবি "খ" ইউনিটে চান্স পেতে হলে কী কী করতে হবে, কীভাবে করতে হবে, কী কী করা যাবে না, কী কী পড়তে হবে, কীভাবে পড়তে হবে, কোথা থেকে/ কোন কোন উৎস থেকে পড়তে হবে, কী কী কৌশল প্রয়োগ করতে হবে, কোন কোন বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে, কী কী টেক আউট করতে হবে ইত্যাদি সবকিছু ব্যাখ্যা করা আছে এই বইয়ে।
এককথায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সংক্রান্ত তোমার মনে যত রকমের প্রশ্ন আছে তার সব উত্তর পাবে এই বইটিতে।

DU Kha প্রিপারেশন হ্যাকস— তথ্য, পরামর্শ ও মডেল টেস্ট এই তিন মিলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি অনন্য বই।

♦ বইটির অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহ—
• বইটি একজন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থীকে ভর্তি প্রস্তুতি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দিবে।
• এতে দেওয়া অনন্য পরামর্শগুলো একজন পরীক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার কৌশলগুলোতে পারদর্শী করে তুলবে।
• এতে দেওয়া উপলব্ধিমূলক মডেল টেস্টগুলো ভর্তি পরীক্ষার্থীকে নিজের ভুলত্রুটিগুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে পারফেক্ট করে প্রস্তুত করতে সহায়ক হবে।
• ভর্তি পরীক্ষার জন্য স্মার্টলি পড়াশুনা করতে ও আনপ্রডাকটিভ বিষয়গুলো পড়া হতে বিরত রেখে সময়ের পরিপূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে শেখাবে।
• বইটি একজন ভর্তি পরীক্ষার্থীর মানসিক শক্তি উন্নত করতে সহায়ক হবে।
• ভর্তি পরীক্ষার সময় সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাসমূহ থেকে নিরাপদ থেকে স্বপ্ন পূরণের পথে সহায়ক হবে।

বইটির পিডিএফ কপি ডাউনলোড করতে এই লিংকটিতে ক্লিক করো→ https://drive.google.com/file/d/10B4FVNFq0sCpgoK0Kf85LtEyh40Gz2YJ/view?usp=drivesdk

এছাড়াও রয়েছে আমাদের অনলাইন টিচিং এর জন্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। এই অ্যাপটি ও বইটি হলেই কোচিংয়ে যা যা পাওয়া যায় তার সব পাওয়া যাবে— মডেল টেস্ট, পরামর্শ, ইত্যাদি ইত্যাদি সবকিছু।

এখন আমি বর্ণনা করবো কীভাবে মানবিকের শিক্ষার্থীরা একটি অ্যাপ ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতি নিবে।
আসলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি একটি ব্যাপক বিষয়। এ বিষয়ে তোমরা এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি ব্যবহার করলে কাজটি সবচেয়ে সহজ হবে। একথা শুনে হয়তো ভাবতে পারো অ্যাপ দিয়ে কী হবে?
হ্যা তা ঠিক; গুগলের প্লে-স্টোরে ঢাবি "খ" এর যেসব অ্যাপস পাওয়া যায় সেগুলো হলো মাছ ধরার টোপের মতো। সেগুলোতে শুধু বিগত বছরের প্রশ্ন ও মডেল টেস্ট আছে; এর বেশি আরকিছু নেই। তবে বাংলাদেশে ঢাবি "খ" এর জন্য মাত্র একটি অ্যাপ আছে যেটাতে সবকিছু পাবে। এটির নাম DU Kha Preparation / ঢাবি খ প্রস্তুতি। আর এটি গুগলের প্লে-স্টোরে পাবে না। এটি ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে হবে।

এই অ্যাপটিতে Syllabus, Office, Classroom, Library, Tests, Noticeboard ও Help — এই সাতটি অপশন আছে।
Syllabus এর ভিতরে ঢাবি "খ" প্রস্তুতির জন্য কী কী পড়তে হবে ও কোথা থেকে পড়তে হবে, কী কী ভুল করা যাবে না, কোন কোন বই পড়তে হবে এবং অধ্যয়ন বিষয়ক পরামর্শ আছে।
Office অপশনে এই প্রজেক্টের অফিসিয়াল তথ্যগুলো যে ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয় সেই ফেসবুক পেজের লিংক দেওয়া আছে।
Classroom অপশনে আমাদের অনলাইন ক্লাস নেওয়ার একটি প্লাটফর্ম তৈরির প্রচেষ্টা চলছে এবং সেই প্লাটফর্মে কীভাবে সংযুক্ত হতে হবে Classroom অপশনে তা বলা আছে।
Library অপশনে গেলে তুমি বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ের নোটবুক, বিভিন্ন বইয়ের ডাইজেস্ট, সাম্প্রতিক তথ্যব্যাংক, নিউজপেপার ডাইজেস্ট, ভর্তি তথ্যব্যাংক এবং পরামর্শ বই পাবে। ভর্তি  তথ্যব্যাংকে ঢাবি "খ" প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া যাবে; এটি হলো ঢাবি 'খ' ভর্তির আপডেট তথ্যের নিউজফিড। এটিতে গত বছরের ভর্তির সার্কুলারও পাওয়া যাবে এবং সার্কুলারে গত বছরের ঢাবি 'খ' ভর্তির যোগ্যতা, পরীক্ষার মানবণ্টন, পরীক্ষা পদ্ধতি ইত্যাদি এ-টু-জেড জানতে পারবে। আর পরামর্শ বই তে ভর্তি পরীক্ষায় যতো প্রকারের সতর্কতা ও সচেতনতা অবলম্বন করতে হয় তার সবকিছু এই পরামর্শ বইয়ে পাবে। এছাড়াও এই লাইব্রেরি অপশনে লেকচার শিট ডাউনলোডের লিংক পাবে।
Tests অপশনে গিয়ে তোমরা এই প্রজেক্টের মডেল টেস্টগুলো দিতে পারবে। মডেল টেস্টগুলো উত্তরমালাসহ পাবে। টেস্ট দেওয়ার পর উত্তরমালা হতে মিল করে দেখে নিজের অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে পারবে।
Noticeboard অপশনে আমরা আমাদের প্রজেক্টের পক্ষ থেকে কখন কোন পরিকল্পনা করছি, কোন পদক্ষেপ হাতে নিচ্ছি সেসব তথ্য Noticeboard অপশনে পাবে।
এবং Help অপশনে এতোকিছুর পরেও যদি কারো কোনো বিষয় জানার থাকে এবং কোনো হেল্প প্রয়োজন হয় তাহলে এই হেল্প অপশন থেকে তোমরা সেই হেল্প পাবে।

এতোকিছু অন্য কোনো অ্যাপসেই নাই। একমাত্র আমরাই দিচ্ছি এতো বেশি সেবা। তাই এখনই অ্যাপটি ইনস্টল করে অ্যাপটির এ-টু-জেড দেখে নাও এবং প্রতিযোগিতার বিশ্বে নিজেকে এগিয়ে রাখো।
অ্যাপটি ডাউনলোড করতে এই লিংকটিকে ক্লিক করো→ https://drive.google.com/file/d/1-iqPCiRTUB-1Cb3orOOiGdu8Pt8p4uoG/view?usp=drivesdk

আর, অ্যাপটি ডাউনলোড করতে না পারলে কিংবা ডাউনলোড করার পর অ্যাপটি ফোনে সাপোর্ট না করলে তার বিকল্প হিসেবে তুমি কোন পদ্ধতি অবলম্বন করবে তা আমাদের বইটিতে এবং DUKUAPP Noticeboard এ লেখা আছে।

এখন বলতে হয় মডেল টেস্ট এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে। আমাদের মডেল টেস্টগুলো ক্যামাট (CAMAT) নামে পরিচিত। ক্যামাট হলো "Comprehensive Alternative Model Admission Test (CAMAT)" অর্থাৎ, উপলব্ধিমূলক বিকল্প ছায়া ভর্তি পরীক্ষা।
এখন প্রশ্ন হলো— এই উপলব্ধিমূলক পরীক্ষা কেনো দিতে হবে?

"ঢাবি" তে ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ এখন মাত্র ১ বার। এর পূর্বে যখন সেকেন্ড টাইম চালু ছিল তখন দেখা যেতো বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীই সেকেন্ড টাইম থেকে চাঞ্চ পেতো। কারণ অধিকাংশ বাঙালির স্বভাব হলো ঠেকে শেখা; কিন্তু একবার ঠেকে শিখে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ তো নাই। তাহলে কী হবে?

এক্ষেত্রে CAMAT তোমার সেই ঠেকে শেখার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন করবে।
ক্যামাট দিলেই তুমি বুঝতে পারবে কোথায় তোমার ভুল হচ্ছে, কোথায় তোমার ঘাটতি আছে। তুমি তোমার সেই ভুলগুলো চিহ্নিত করে সেসব শোধরানোর ব্যবস্থা নিতে পারবে।

ক্যামাট কীভাবে দিতে হয় তা আমাদের বইটি পড়লে জানতে পারবে, আর পরীক্ষা না দিয়ে বরং উত্তর দেখে দেখে ক্যামাট এর প্রশ্ন নিয়ে পড়াশুনা করবে না, এটি ভুল কাজ। এর ফলে ক্যামাট এর যে Benefit সেটা তুমি পাবে না। তোমার ভুল ভুলই থেকে যাবে, শোধরাতে পারবে না। এভাবে পড়ে তুমি হয়তো সবগুলো টেস্ট এর প্রশ্ন থেকে কয়েকটা প্রশ্ন কমন পাবে। কিন্তু এতে ক্যামাট এর উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হবে না। তুমি ইংরেজি বেশি সময় দেখতে গিয়ে বাংলা ও সাধারণ জ্ঞান এর সময় খেয়ে ফেলছো কি না, কিংবা ইংরেজি কঠিন মনে করে প্রথমে বাংলা ও সাধারণ জ্ঞান দিতে গিয়ে কোনো ফনফিউজিং প্রশ্ন নিয়ে ভেবে ভেবে সময় পার করে ইংরেজির সময় খেয়ে ফেলছো কি না ইত্যাদি ইত্যাদি ভুল করছো কি না তা ক্যামাট না দিলে বুঝতে পারবে না। অতএব, যারা এখনও ক্যামাট দেওনি বইটি পড়ে এর পদ্ধতি জেনে নিয়ে ক্যামাট দাও।

আর ক্যামাট এর MCQ Answer Sheet ডাউনলোড করতে এই লিংকটিকে ক্লিক করো→ https://drive.google.com/file/d/10MpntCFqAEn4HJBdIxbQCd_CWGpjmvH0/view?usp=drivesdk

♦ যেসব কারণে আমাদের মডেল টেস্ট সবার সেরা—
পরিপূর্ণতা, গুণগত মান, পদ্ধতি, সহজলভ্যতা ও বিভিন্ন কারণে আমাদের মডেল টেস্ট সবার সেরা। নিম্নে আমাদের মডেল টেস্ট সবার সেরা হওয়ার কারণসমূহ তুলে ধরা হলো—
→ আমাদের মডেল টেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার অনুরূপ পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট, এটি কোনো আংশিক মডেল টেস্ট নয়; আর শুধুমাত্র পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট এর মাধ্যমেই নিজের অবস্থা উপলব্ধি করা সম্ভব এবং নিজের ভুলত্রুটিগুলো শুধরে নেওয়া সম্ভব যা আমাদের মডেল টেস্টে আছে।
→ আমাদের মডেল টেস্ট হলো মানসম্মত প্রশ্নে নেওয়া মডেল টেস্ট। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন যেমন বৈচিত্র্যময় ধাঁচের তথা সুষম প্রশ্ন হয়ে থাকে, সেখানে সব ধরণের আইটেমের প্রশ্ন নিয়ে প্রশ্নপত্র তৈরি করে পরীক্ষা নেওয়া হয় আমরাও সেইরূপ সুষম প্রশ্নে মানসম্মত মডেল টেস্ট নিয়ে থাকি; আর অন্যান্য যেসব প্রকাশনী কিংবা প্রতিষ্ঠান মডেল টেস্ট নেয় তারা শুধু প্রশ্নের সংখ্যা মিল করতে যে কয়টা প্রশ্ন দিতে হয় বই থেকে এলোপাথাড়িভাবে সেই কয়টা প্রশ্ন দিয়ে প্রশ্নের সংখ্যা মিল করে মডেল টেস্ট নেয়, ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় যেমন সব ধরণের আইটেম থেকেই প্রশ্ন থাকে এসব মডেল টেস্টে সেরূপ সুষম প্রশ্ন থাকে না। একমাত্র আমরাই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মতো মানসম্মত প্রশ্নে মডেল টেস্ট নিয়ে থাকি। সেদিক থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মডেল টেস্ট গুণগত মানের দিক দিয়ে আমাদের মডেল টেস্টের ধারেকাছেও নেই।
→ আমাদের মডেল টেস্ট নেওয়ার পদ্ধতি উন্নতমানের; অন্যান্য বইয়ে শুধু প্রশ্নপত্র ও উত্তরমালা থাকে, সেখানে টিকচিহ্ন দিয়ে মডেল টেস্ট দিতে হয় যা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ফলো করে না। এতে করে রিয়েল ভর্তি পরীক্ষার বৃত্ত ভরাটের টাইম ম্যানেজমেন্ট উপলব্ধি করা সম্ভব হয় না, ফলে এ বিষয়ে দক্ষতার উন্নতি করা সম্ভব হয় না এবং আলাদা এমসিকিউ উত্তরপত্রে উত্তর করতে গিয়ে যেসব ভুলত্রুটি ঘটে থাকে সেসবও শুধরে নেওয়া সম্ভব হয় না। তাই আমরা রিয়েল ভর্তি পরীক্ষার মতো আলাদা এমসিকিউ উত্তরপত্রে বৃত্ত ভরাট পদ্ধতিতে মডেল টেস্ট নিয়ে থাকি।
→ আমাদের মডেল টেস্ট দেওয়ার জন্য কোচিংয়ে গিয়ে যাতায়াতের সময় ব্যয় করতে হয় না, বই ও অনলাইন থেকে প্রশ্নপত্র নিয়ে ঘরে বসেই মডেল টেস্ট দেওয়া যায় এবং সেখানেই উত্তরমালা পাওয়া যায়।
সর্বোপরি আমাদের মডেল টেস্ট আপডেট তথ্যের প্রশ্ন সমৃদ্ধ। ফলে আপডেটেড প্রশ্ন থেকে সহজেই নিজের প্রকৃত অবস্থা উপলব্ধি করা সম্ভব ও তদানুযায়ী নিজের অবস্থার উন্নয়ন করা সম্ভব।

সুতরাং, আমাদের মডেল টেস্ট মিস করবে না।

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট প্রোগ্রাম"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

হেল্পলাইন: 01746315639 , 01743778788 এবং 01772987545 ; এগুলোর কোনো একটি সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ থাকতে পারে, তাই সবকটি ট্রাই করলে কোনো একটি চালু পাবেই।

ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন | অ্যাডভান্সড প্রস্তুতি নিন
DUKUAPP | তোমার স্বপ্ন পূরণে

Thursday, December 12, 2019

চারাগাছের নার্সারিসমূহ→


Note: এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিতে কল করুন 01746315639 তে কিংবা আমাদের ফেসবুক পেজের মেসেজ ইনবক্সে আপনার বিজনেস কার্ড/ ভিজিটিং কার্ড এর এরূপ ফটো সেন্ড করুন।
আমাদের ফেসবুক পেজে যেতে এখানে—ক্লিক—করুন

Monday, November 18, 2019

স্বপ্ন ও সম্ভাবনা


এ এলাকার বহু ছেলেমেয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজগুলোতে পড়াশুনা করছে এবং অনেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখছে। তাই এই এলাকার স্বপ্ন ও সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল।

শিঘ্রই এলাকার সেসব তারকা শিক্ষার্থীদের পরিচিতি চতরাপিডিয়ায় তুলে ধরা হবে। এসব শিক্ষার্থীরা ২০২০ সালের অবরুদ্ধ সময়ে এলাকায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্নের জাগরণ সৃষ্টি করেছেন।

পাশাপাশি চতরাপিডিয়া মিডিয়ার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেশকিছু ছেলেমেয়েদের পার্টটাইম কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে। চতরাপিডিয়ার স্বপ্ন হলো চতরায় শহরের মতো হোম সার্ভিস চালু করা এবং লাইফকে সহজতর করা। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে চলেছি।

Saturday, November 16, 2019

চতরার ইতিহাস ও ঐতিহ্য


রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ১৪ নম্বর ইউনিয়নটি '১৪ নং চতরা ইউনিয়ন' নামে পরিচিত। চতরা ইউনিয়নের নামকরা স্থান হলো ঐতিহ্যবাহী চতরাহাট। এছাড়াও চতরা ইউনিয়নে রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন 'নীল দরিয়া' যা ছিল মধ্যযুগের এক নৃপতির পরিখাবেষ্টিত দূর্গ।

[] চতরা নামের উৎপত্তি: চতরা ইউনিয়নের 'চতরা' নামটির উৎপত্তি যথাসম্ভব মধ্যযুগে। একটা বইয়ে পাওয়া যায় সে অনেক আগের রাজাদের আমলের কথা। চতরায় যে বিজেএমসি ছিলো তার উত্তরপূর্ব দিক থেকে শুরু করে প্রয়াত সাবেক সাংসদ আব্দুল জলিল প্রধানের বাড়ির পিছন পর্যন্ত একটা বিশাল চত্বর ছিলো যেখানে ঘোড়দৌড় হতো, ঘোড়ায় চড়া শেখানো হতো। এই চত্বরটা খুব নামকরা ছিলো; তখন হাট/বাজার ছিলো অন্যত্র অর্থাৎ পুরাতন ব্রিজের দক্ষিণের জায়গাটাকে সে আমলের মানুষেরা হাটখোলা বলতো। পুরাতন হাট সেখানেই বসতো কিন্তু চত্বরটা বিশাল এবং নান্দনিক ছিল বলে লোকজন সেখানে প্রায়শই যাতায়াত করতো। যাবার সময় বা কেউ আগে গেলে বলতো চত্বরে যাবো বা চত্বরে গেছে। চত্বরে যাই, যাচ্ছি এসবের এই চত্বর থেকেই চত্তরা > চত্রা > থেকেই বর্তমান 'চতরা' এর উৎপত্তি বলেই সেই বইটিতে জোরালোভাবে বলা হয়েছিলো। একটু উত্তরে হাতিকুড়া নামে একটা জায়গা ছিলো (বর্তমান খালাশপীর রোডের মালোপাড়ার পূর্বদিকে) সেখানে রাজার হাতিকে স্নান করানো/ পানি খাওয়ানো  হতো। পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে হাতিকুড়ার উত্তরদিকে নীলকুঠি গড়ে উঠেছিলো। সেখানে একটা জায়গায় মন্দিরের মতো একটা জায়গা যা দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে রেকোর্ডেড। এখন তার চিহ্নও নাই। তবে ছোটবেলায় আমিও ওখানকার মন্দির ও নীলকুঠির ভগ্নাবশেষ দেখেছি।
চতরার ইতিহাস নিয়ে একসময় অনেক ঘাটাঘাটি করতাম। বইয়ের ফটোকপি ও সংগৃহীত কাগজগুলো ৯৬ এর বন্যায় ভিজে ধবংস হয়ে গেছে অনেক দূর্লভ ছবিসহ।
* তথ্যসূত্র : আব্দুর রব প্রধান, অধ্যক্ষ, চতরা বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ।

[] চতরা ইউনিয়নের অবস্থান, আয়তন ও জনসংখ্যা: চতরা ইউনিয়ন পীরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত; এর পূর্বে কাবিলপুর ইউনিয়ন, উত্তরে বড় আলমপুর ইউনিয়ন এবং পশ্চিম ও দক্ষিণে করতোয়া নদী এবং নদীর ওপারে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট। চতরা ইউনিয়নের আয়তন ৩৪.৯৭ বর্গকিলোমিটার এবং উক্ত ইউনিয়নে ২৪টি মৌজা রয়েছে। ইউনিয়নটির জনসংখ্যা ২০১১ সালের আদমশুমারীতে ছিল ৩০৬০৩ জন।
* তথ্যসূত্র : ১৪ নং চতরা ইউনিয়ন পরিষদ ওয়েবসাইট।

[] ঐতিহ্যবাহী স্থান: চতরা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী স্থান 'চতরা হাট'। রংপুরের পীরগঞ্জে নীলাম্বর রাজার নীল দরিয়া পরিখার পাশে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী চতরা হাট। বারোয়ারি হাট হিসেবেই পরিচিত এ হাট। ব্রিটিশ আমলে জামালপুর, গাইবান্ধা, নারায়ণগঞ্জ থেকে বড় ব্যবসায়ীরা করতোয়া নদী দিয়ে নৌকাযোগে এ হাটে আসতেন। তারা হাট থেকে ধান, গম, পাট কিনে নিয়ে যেতেন।
পীরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন ধাপেরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে চতরা হাটের অবস্থান। দুদিক থেকে দুটি পাকা সড়ক মিশেছে চতরা হাটে। এছাড়াও হাট হতে একটি সড়ক চতরা টু খালাশপীর এবং অন্য একটি সড়ক চতরা হতে ঘোড়াঘাটে চলে গেছে। রাজা নীলাম্বর রাজ্য পরিচালনার জন্য রাজ্যকে কয়েক অংশে ভাগ করে নায়েবদের ইজারা দেন। এ হাট এলাকায় একসময় একটি বৃহৎ চত্বর ছিল। সেই 'চত্বর' থেকেই বর্তমান চতরা নামের উৎপত্তি যা ইতোপূর্বেই বলা হয়েছে।
প্রায় ২৭ বিঘা জমির ওপর গড়ে উঠেছে চতরা হাটটি। শত বছরের বেশি বয়স এ হাটের। শুক্র ও মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত হাটে বেচাকেনা চলে। এছাড়া প্রতিদিনই বসে বাজার। একসময় জামালপুর, গাইবান্ধা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে বড় ব্যবসায়ীরা করতোয়া নদী দিয়ে নৌকায় করে আসতেন। তারা এ হাট থেকে ধান, গম, পাট কিনে নৌকায় ভরে নিয়ে যেতেন। হাটে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) ক্রয়কেন্দ্র ছিল। আদমজী পাটকল বন্ধ হয়ে গেলে ক্রয়কেন্দ্রটি অব্যবহৃত পড়ে থাকে।
চতরা হাটে ধান, পাট ও ভুট্টার পৃথক আড়ত আছে। এখনও বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এখানে আসেন। কেননা এ হাটে পণ্যের দাম তুলনামূলক কম। সবজিসহ যাবতীয় কাঁচা পণ্য পাওয়া যায়। সব ধরনের পণ্যই ফরমালিনমুক্ত ও টাটকা। হাটবারে ২০ থেকে ২৫ ট্রাক সবজি ও ধান কিনে নিয়ে যান পাইকাররা। পাট ও ভুট্টার মৌসুমে জমে এ দুটি আড়ত। বিদ্যুৎসহ সব ধরনের আধুনিক ব্যবস্থা থাকায় বাইরের পাইকাররা আসেন হাটে।
হাটের কিছু সমস্যাও রয়েছে। প্রধান সমস্যা উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা। পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা উন্নত নয়, তবে সম্প্রতি উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। করতোয়া নদী ও নীল দরিয়ার কারণে এ অঞ্চলে মাছের আধিক্য রয়েছে। কিন্তু হাটে মাছের আড়ত না থাকায় মাছ ব্যবসায়ীরা রংপুর কিংবা বগুড়ায় গিয়ে মাছ বিক্রি করেন। মাছের আড়ত হলে ব্যবসায়ীদের আগমন ঘটবে বলে মনে করেন হাট সংশ্লিষ্টরা।
* তথ্যসূত্র : অনলাইন এবং স্থানীয় তথ্যসংস্থান।

[] প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন: চতরা ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন 'নীল দরিয়া'। নীল দরিয়া রংপুর জেলার পীরগঞ্জের একটি অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি ছিল মধ্যযুগের প্রতাপশালী হিন্দু নৃপতি নীলাম্বর সেনের একটি দুর্গ। নীলাম্বর সেনের শাসনের অবসানের পর বহুকাল ধরে পরিচর্যার অভাবে নীল দরিয়ার অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এটি বর্তমানে এ অঞ্চলের একটি বিনোদনকেন্দ্র।
এটি রংপুরের পীরগঞ্জ থানার চতরা ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি চতরাহাট থেকে পশ্চিমে হাফ কিলোমিটার দূরে।
নীল দরিয়া হচ্ছে একটি গভীর ও প্রশস্ত বৃত্তাকার খাল যা দ্বারা একটি স্থলভূমি বেষ্টিত; যেখানে ৯২ একরজুড়ে খাল এবং ৪৮ একরজুড়ে স্থলভাগ রয়েছে। স্থলভাগে দুর্গের ধ্বংসাবশেষ, বাগান, টিলা, খেলার মাঠ ইত্যাদি জিনিস ও জীববৈচিত্র রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, নীল দরিয়াকে কেন্দ করে কোনো পর্যটন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি। তাই এখানে কোনো নৌকা ভ্রমণের সুবিধা নেই। নীল দরিয়ার নৌকাভ্রমণ করতে হলে নৌকায় চড়ে মাছধরা জেলেদের সাথে চুক্তি করতে হবে।
নীল দরিয়ার আশেপাশে কোনো হোটেল ও রিসোর্ট নেই। এই সেবা পেতে হলে আপনাকে পীরগঞ্জ উপশহরে যেতে হবে।
এখানে কোনো রেস্টুরেন্ট সেবাও নেই; শুধু একটি চা-নাস্তা ও হালকা খাবারের দোকান আছে। রেস্টুরেন্ট সেবা পেতে হলে আপনাকে চতরাহাটে আসতে হবে।
সম্প্রতি নীল দরিয়াকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য একটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
* তথ্যসূত্র : 'নীল দরিয়ায় ইতিকথা' বই এবং অনলাইন।

এ অঞ্চলে চতরার নামে আছে চতরাহাট, চতরা উচ্চ বিদ্যালয়, চতরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চতরাহাট দাখিল মাদ্রাসা, চতরা ডিগ্রি কলেজ, চতরা বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ এবং চতরা মাল্টিমিডিয়া ক্যাডেট স্কুল প্রভৃতি।
আর নীল দরিয়ার নামে আছে নীল দরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, নীল দরিয়া বিনোদন টিভি প্রভৃতি।

চতরা নামে বিশ্বে আরও যতকিছু→
ক. লালমনিরহাটে চতরা নামে একটি নদী আছে এবং নড়াইল জেলাতেও চতরা নামে একটি নদী আছে।
খ. পশ্চিমবঙ্গে 'চতরা' নামে একটি জায়গা আছে এবং সেখানে 'দক্ষিণ চতরা উচ্চ বিদ্যালয়' নামে একটি নামকরা স্কুল আছে।
গ. ভারতের ঝাড়খণ্ড প্রদেশে 'চতরা' নামে একটি জেলা আছে।
ঘ. নেপালে 'চতরা' নামে একটি নদী ও তা সংলগ্ন একটি ছোট পর্যটন শহর আছে।

👉 সংযুক্তি—
ক. চতরা ইউনিয়নের ওয়েবসাইটে যেতে এখানে—ক্লিক—করুন
খ. চতরা বিষয়ক উইকিপিডিয়ার পেজে যেতে এখানে—ক্লিক—করুন
গ. 'নীল দরিয়ায় ইতিকথা' বইটি পেতে এখানে—ক্লিক—করুন
ঘ. চতরার রোডম্যাপ মানচিত্র দেখতে এখানে—ক্লিক—করুন
ঙ. ভ্রমণ গাইড সেবা পেতে এখানে—ক্লিক—করুন

© সম্পাদনা: মেহেদী হাসান, বিএ অনার্স, এমএ (ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর; উদ্যোক্তা, চতরাপিডিয়া।


Note : যারা ব্রাউজার থেকে কিংবা অন্য অ্যাপ থেকে চতরাপিডিয়া ভিজিট করছেন তারা 'চতরাপিডিয়া' এর অ্যাপ ডাউনলোড করতে এখানে—ক্লিক—করুন

Chatrapedia — Simplifying Life
ধন্যবাদ | মেহেদী হাসান

Friday, November 15, 2019

ডিস লাইন ও ওয়াইফাই সাপ্লাইয়ার

ডিসলাইন সাপ্লাইয়ার→



ওয়াইফাই সাপ্লাইয়ার→


Note: এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিতে কল করুন 01746315639 তে কিংবা আমাদের ফেসবুক পেজের মেসেজ ইনবক্সে আপনার বিজনেস কার্ড/ ভিজিটিং কার্ড এর এরূপ ফটো সেন্ড করুন।
আমাদের ফেসবুক পেজে যেতে এখানে—ক্লিক—করুন

পাবলিকেশন্স, প্রেস এবং প্রিন্টার্স




Note: এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিতে কল করুন 01746315639 তে কিংবা আমাদের ফেসবুক পেজের মেসেজ ইনবক্সে আপনার বিজনেস কার্ড/ ভিজিটিং কার্ড এর এরূপ ফটো সেন্ড করুন।
আমাদের ফেসবুক পেজে যেতে এখানে—ক্লিক—করুন

Saturday, November 9, 2019

ভিডিও ক্যামেরা ভাড়া/ ভিডিও সেবা


Note: এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিতে কল করুন 01746315639 তে কিংবা আমাদের ফেসবুক পেজের মেসেজ ইনবক্সে আপনার বিজনেস কার্ড/ ভিজিটিং কার্ড এর এরূপ ফলো সেন্ড করুন।
আমাদের ফেসবুক পেজে যেতে এখানে—ক্লিক—করুন